শিক্ষা দপ্তর, পুর দপ্তর ও সমবায় দপ্তরের দুর্নীতি নিয়ে CBI-কে তদন্তের অনুমতি। আইন মেনে সেই অনুমতি দিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করেন তিনি। শুভেন্দু জানান, অনেক প্রত্যাশা নিয়ে মানুষ তাঁদের সরকারকে ক্ষমতায় এনেছে। দুর্নীতির ক্ষেত্রে জ়িরো টলারেন্স নীতি তাঁদের। যে সমস্ত আমলা, আধিকারিকের নাম দুর্নীতির সঙ্গে জুড়েছে, তাঁদের কোনও ছাড় নেই, এ দিন তা-ও জানিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির ক্ষেত্রে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যে সমস্ত সরকারি আধিকারিক দুর্নীতিগ্রস্ত, তাঁদের বিরুদ্ধে সিবিআই বা কোর্ট নিযুক্ত অন্যান্য তদন্তকারী সংস্থাকে চার্জশিট পেশের আগে আইন অনুযায়ী অনুমোদন নিতে হয়। আগের সরকারের মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দুর্নীতিগ্রস্ত আমলা, আধিকারিকদের বাঁচানোর জন্য এই অনুমোদন আটকে রেখেছিলেন। আজ আমরা সিবিআইকে তিনটি দপ্তরের ক্ষেত্রে অনুমোদন দিয়ে দিলাম। অর্ডার বেরিয়ে গিয়েছে।’
কোন কোন দুর্নীতির ক্ষেত্রে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে? মুখ্যমন্ত্রী জানান, শিক্ষা দপ্তরের শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি, পুর নিয়োগ দুর্নীতি ও সমবায় দপ্তরের ক্ষেত্রে কোর্টের নির্দেশে যে তদন্ত চলছিল সেই তিন মামলায় স্যাংশন দেওয়া হলো। ফলে এ বার সিবিআই তাদের মতো করে পদক্ষেপ করতে পারবে।