'সোশ্যাল মিডিয়ায় সমস্যার কথা লিখে সমাধান হলে আর্টিস্ট ফোরাম থাকার কোনও মানে নেই', কেন এমন বললেন প্রসেনজিৎ?
আজকাল | ১৩ মে ২০২৬
বিগত কয়েক দিন ধরেই টলিউডের কিছু শিল্পী আর্টিস্ট ফোরামের বিরুদ্ধে কথা বলছেন। সমাজমাধ্যমে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন ক্রমাগত। এবার এই গোটা বিষয়ে মুখ খুললেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়।
আর্টিস্ট ফোরামের বিরুদ্ধে যাঁরা কথা বলছেন তাঁদের উদ্দেশ্যে এদিন হাসিমুখেই প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় বলেন, "আর্টিস্ট ফোরাম ২৭ বছর আগে তৈরি হয়েছে। প্রচুর সদস্য আমাদের। যাঁরাই যখন কমিটিতে থেকেছেন তাঁদের কাজই ছিল সেই অভিযোগগুলোকে অ্যাড্রেস করা। অভিযোগ নিশ্চয় থাকবে। কমিটির কাজ তাঁদের সঙ্গে কথা বলা, অভিযোগ শোনা, যদি অভিযোগ ঠিক হয় তাহলে সেটার সুরাহা করা। আমাদের ইসি কমিটিতে যাঁরা আছেন তাঁদের সবাইকে জানেন। যাঁরা নেই, তাঁরাও কিন্তু আমাদের সদস্য। কেউ কিন্তু আমাদের সদস্যপদ থেকে বাইরে নয়। তাই আমরা বারবার বলছি, আপনাদের কিছু বলার থাকলে সোশ্যাল মিডিয়ায় বলার আগে যদি ফোরামকে জানান আমরা চেষ্টা করব সেটাকে ঠিক ভাবে অ্যাড্রেস করতে। সেই বিষয় নিয়ে কথা বলতে।"
তাঁর এদিন আরও সংযোজন, "কিছু সময় হয় যা ক্রিটিকাল হয়। সবসময় এক যায় না। এই যেমন, রাহুলের চলে যাওয়ার জন্যই আমরা প্রস্তুত ছিলাম না। তার কিছুদিন আগেই এই নতুন কমিটি গঠন হয়েছে। আমাদের কমিটিতে যাঁরা এসেছেন তাঁরা সেটেল করার আগেই এরম একটা বড় ঘটনা ঘটে গেল। তারপর আমাদের রাজ্যে নির্বাচন চলল। সব কিছুর জন্যই তো একটা সময় লাগে। তা সত্ত্বেও বলছি, কোনও সদস্যের যদি কোনও বক্তব্য থাকে, ফোরাম যতটা পারবে সেটা দেখবে। ফোরামে যাঁরা আছেন তাঁরা এখানে কেউ চাকরি করেন না, তাঁরা তাঁদের কাজের মাঝখানে আসেন। ২৭ বছর কোনও সংগঠন যদি থাকে, সেই সংগঠন কোনও না কোনও কাজ তো করেছে। যাঁরা আমাদের ফোরামের কমিটিতে নেই, তাঁরাও কিন্তু সদস্য। তাঁদের কথা আমাদের শুনতে হবে, দরকার হলে তাঁদের সঙ্গে বসতে হবে। তাঁদের কোনও অভিযোগ থাকলে সেটা শুনতেও হবে। কিন্তু, রাতারাতি কোনও জিনিস পাল্টানো যায় না। সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখে যদি কোনও সমস্যার সমাধান হয়ে যায়, তাহলে আর্টিস্ট ফোরাম থাকার কোনও মানেই হয় না।"