এই সময়: প্রকাশ্য স্থানে পশুবলি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের একগুচ্ছ নির্দেশ রয়েছে। মূলত ১৯৫০ সালের পশ্চিমবঙ্গ পশুবলি নিয়ন্ত্রণ আইন কঠোর ভাবে মেনে চলার নির্দেশই ২০২৪–এ জারি করেছিল হাইকোর্ট।
আসন্ন ইদ-উল-আজহা বা বকরিদ-এ সবাই যাতে সেই নির্দেশ মেনে চলে, সে জন্যে পুরোনো নির্দেশিকা ফের জারি করল রাজ্য প্রাণিসম্পদ বিকাশ দপ্তর। প্রতি বছরই এই নির্দেশ জারি হয়, তবে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে।
নির্দেশে জানানো হয়েছে, উপযুক্ত শংসাপত্র বা ‘ফিটনেস সার্টিফিকেট’ ছাড়া কোনও পশু কুরবানি দেওয়া যাবে না। এই নিয়ম গোরু, বাছুর, বলদ, ষাঁড় এবং মোষ— সব ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে। কোনও পশুকে জবাই করার যোগ্য হিসেবে বিবেচনা করতে হলে সেটির বয়স অন্তত ১৪ বছরের বেশি হতে হবে এবং প্রজননের সম্পূর্ণ অনুপযুক্ত হতে হবে।
সংশ্লিষ্ট পুরসভার চেয়ারপার্সন বা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি এবং একজন পশু চিকিৎসকের যৌথ স্বাক্ষরিত শংসাপত্র থাকলেই কেবল কোনও পশুকে নির্দিষ্ট কসাইখানায় নিয়ে যাওয়া যাবে। প্রকাশ্যে বা কোনও খোলা জায়গায় পশু জবাই করার উপরে কঠোর নিষেধাজ্ঞা থাকবে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১৯৫০ সালের পশ্চিমবঙ্গ পশুবলি নিয়ন্ত্রণ আইনের নিয়মাবলি কঠোর ভাবে মানতে হবে। যদি কেউ এই আইন লঙ্ঘন করেন, তবে তাঁর সর্বোচ্চ ছ’মাসের জেল অথবা এক হাজার টাকা জরিমানা হতে পারে। এ ছাড়া পশু জবাইয়ের স্থান পরিদর্শনে আসা সরকারি আধিকারিকদের কাজে কোনও ভাবে বাধা দেওয়া যাবে না।