• রূপশ্রীর টাকা ঢুকবে কবে? ভোটের আগে চিন্তায় আবেদন করা পাত্রীরা
    বর্তমান | ১৪ মে ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: মূল উদ্দেশ্য ছিল গরিব পরিবারের তরুণীদের বিয়েতে আর্থিক সহায়তা প্রদান। সে কারণে রূপশ্রী প্রকল্প চালু করেছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই প্রকল্পে বিয়ের জন্য এককালীন ২৫ হাজার টাকা অনুদান দেওয়া হয়। বৈশাখ মাসে বিয়ের প্রচুর লগ্ন আছে। তাই ভোটের আগে বিধাননগরে এই প্রকল্পে একাধিক আবেদন পড়েছে। ভেরিকেশন হয়ে গিয়েছে, রিপোর্টও জমা পড়েছে। ব্যাংক ভেরিকেশন স্তরে রয়েছে। কিন্তু নির্বাচনী বিধির কারণে সেই সময় পাত্রীর অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকেনি। এবার বদলে গিয়েছে সরকার। তাই রূপশ্রীর টাকা কবে ঢুকবে, তা নিয়ে আবেদনকারী পাত্রীপক্ষের পরিবার এখন গভীর চিন্তায়। দপ্তরের দাবি, নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছেন, কোনও সামাজিক প্রকল্প বন্ধ হবে না। তাই চিন্তার কিছু নেই। অর্ডার কপি এলে টাকা ছাড়া হবে।

    ২০১৮ সালের ১ এপ্রিল থেকে বিধাননগরের সঙ্গে গোটা রাজ্যেই চালু হয়েছে রূপশ্রী প্রকল্প। যে সব পরিবারের বার্ষিক আয় দেড় লক্ষ টাকার কম, সেই গরিব পরিবারের তরুণীরা রূপশ্রী প্রকল্পের জন্য আবেদন করতে পারেন। কেবলমাত্র প্রথম বিয়ের জন্য আবেদন করা যায়। বিয়ে হয়ে গেলে আবেদন করা যায় না। আবার দ্বিতীয়বার বিয়ের ক্ষেত্রেও আবেদন গ্রহণ করা হয় না। এবং দু’টি ক্ষেত্রেই তা বেআইনি। আবেদনের সময় ম্যারেজ রেজিস্ট্রির নোটিশ কপি, বিয়ের কার্ডও জমা নেওয়া হয়। পাত্রী ও পাত্র দু’জনকেই সরকারি হিসেব অনুযায়ী বিবাহযোগ্য হতে হয়। আবেদন জমা পড়ার পর প্রশাসনের তরফে সরেজমিনে খতিয়ে দেখা হয়। সব ঠিক থাকলে অনুমোদন দেওয়া হয়। তারপর পাত্রীর ব্যাংক ভেরিকেশন হয়। শেষে অ্যাকাউন্টে সরাসরি এককালীন ২৫ হাজার টাকা অনুদান দেওয়া হয়। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোটের আগে (গত ৩১ মার্চের মধ্যে) বিধাননগর পুরসভায় প্রায় ১১টি আবেদন মঞ্জুর হয়েছে। সেগুলি সরেজমিনে ভেরিকেশন কাজ শেষ। ব্যাংক ভেরিকেশন স্তরে রয়েছে। নির্বাচনী বিধি উঠে গেলেই টাকা ছাড়ার কথা। কিন্তু সরকার বদল হওয়ায় সেই টাকা ছাড়েনি দপ্তর। এক অফিসার বলেন, শীঘ্রই অর্ডার বের হওয়ার কথা। সেই অর্ডার প্রকাশিত হওয়ার পর বিধি মেনে টাকা ছাড়া হবে। 
  • Link to this news (বর্তমান)