রাজ্যের রাজনৈতিক পালাবদলের ছায়া পড়েছে টলিউডেও। এক দিকে, ইম্পা (EIMPA)-র অন্দরে নানা টানাপোড়েন। অন্য দিকে, আর্টিস্ট ফোরামের সহ-কোষাধ্যক্ষের পদ থেকে অভিনেতা দিগন্ত বাগচীর ইস্তফা। যদিও দিগন্তের দাবি, এর পিছনে কোনও রাজনৈতিক কারণ নেই। বরং, ভেবেচিন্তেই কমিটি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে দাবি তাঁর। আর্টিস্ট ফোরামের সদস্যপদ ছাড়তে চান অভিনেতা জিতু কামালও। কমিটির অন্দরের নানা বদল নিয়ে এ বার মুখ খুললেন আর্টিস্ট ফোরামের কার্যকরী সভাপতি প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়।
২৭ বছর আগে তৈরি হয়েছে আর্টিস্ট ফোরাম। প্রচুর সদস্যও রয়েছেন কমিটিতে। রাজ্যে বদলের সঙ্গে সঙ্গে কি তবে সংগঠনেও এসেছে কোনও বড় পরিবর্তন? আর্টিস্ট ফোরামের কার্যকরী সভাপতি প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘কারও কোনও অভিযোগ থাকতেই পারে। আর্টিস্ট ফোরামের দায়িত্বে যাঁরা রয়েছেন তাঁদের কাজ হলো সেগুলো খুঁজে বের করা, আলোচনা করা। যাঁরা এক্সজ়িকিউটিভ কমিটিতে আছেন, তাঁদের বাদ দিয়েও বাকিরা ফোরামের সদস্য। তাই কারও কোনও সমস্যা থাকলে সোশ্যাল মিডিয়ায় বলার আগে আমাদের জানান। আমরা চেষ্টা করব সমস্যার সমাধান করার।’
রাহুলের চলে যাওয়ার কয়েকদিন আগেই আর্টিস্ট ফোরামের নতুন কমিটি গঠন হয়েছে। তবে অনেকেরই অভিযোগ, ফোরামকে জানিয়েও অনেক সমস্যার সমাধান হয়নি। এই বিষয়ে প্রসেনজিৎ বলেন, ‘২৭ বছরের সংগঠন, কখনও কোনও কাজ করেনি এটা তো নয়। সেটা পারিশ্রমিক হোক বা পেমেন্ট স্ট্রাকচার। এই কথাগুলো যদিও এখন আর কেউ বলেন না, কারণ তারা হয়তো ভুলে গিয়েছেন।’
সকলের অভিযোগ শুনতে হবে, পদক্ষেপও নিতে হবে বলে যেমন মনে করেন অভিনেতা, তেমনই রাতারাতি কোনও কিছু বদলানো যায় না বলে মত প্রসেনজিতের। তাঁর মতে, ‘আর্টিস্ট ফোরামের সঙ্গে যাঁরা যুক্ত আছেন, তাঁরা তো কেউ এখানে চাকরি করেন না। কাজের মাঝখানে এসে সময় দেন। তাই সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখে তো সমস্যার সমাধান হবে না। আলোচনার মাধ্যমেই সুরাহা হবে।’