• উচ্চ মাধ্যমিকে পাশের হারে কোন জেলা শীর্ষে জানেন?
    আজকাল | ১৪ মে ২০২৬
  • আজকাল ওয়েবডেস্ক: প্রতীক্ষার অবসান। প্রকাশিত হল ২০২৬ সালের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল। এ বারই প্রথম সেমিস্টার পদ্ধতিতে পরীক্ষা হয়েছে। দেখা গিয়েছে সব জেলার মধ্যে পাশের হারে এগিয়ে পূর্ব মেদিনীপুর। ৯৪.১৯ শতাংশ৷ 

    পূর্ব মেদিনীপুরে মেয়েদের মধ্যে এ++ নম্বর পেয়েছে ১৯৭ জন শিক্ষার্থী। আর ছেলেদের মধ্যে এ++ নম্বর পেয়েছে ২০৮ জন শিক্ষার্থী। মেয়েদের মধ্যে এ+ নম্বর পেয়েছে ২৪৬২ জন শিক্ষার্থী। ছেলেদের মধ্যে এ+ ১৫৫৪ জন শিক্ষার্থী। মেয়েদের মধ্যে এ গ্রেড পেয়েছে ৬৫২৭ জন শিক্ষার্থী। ছেলেদের মধ্যে এ গ্রেড পেয়েছে ৪৩৭১ জন শিক্ষার্থী। মেয়েদের মধ্যে বি+ পেয়েছে ৬৮৯০ জন শিক্ষার্থী। ছেলেদের মধ্যে বি+ পেয়েছে ৫৫০১ জন শিক্ষার্থী। 

    বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ আনুষ্ঠানিক ভাবে ফল ঘোষণা করে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। পরীক্ষা শেষ হওয়ার ঠিক ৭৬ দিনের মাথায় প্রকাশিত হল ফলাফল।

    চলতি বছর পরীক্ষায় নাম নথিভুক্ত করেছিল ৬ লক্ষ ৩৫ হাজার ৯৩১ জন শিক্ষার্থী। যার মধ্যে পরীক্ষায় বসেছিল ৬ লক্ষ ২৬ হাজার ২৫৮ জন। উত্তীর্ণ হয়েছে ৫ লক্ষ ৭১ হাজার ৩৫৫ জন। রাজ্যে সার্বিক পাশের হার ৯১.২৩ শতাংশ।

    জেলাভিত্তিক ফলের নিরিখে সেরার শিরোপা ধরে রেখেছে পূর্ব মেদিনীপুর। এই জেলায় পাশের হার ৯৪.১৯ শতাংশ। এখানেই পাশের হার সবচেয়ে বেশি৷ সাফল্যের নিরিখে এর পরেই রয়েছে হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা, হুগলি, নদিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, কলকাতা, পুরুলিয়া এবং দার্জিলিং।

    প্রথম ১০-এ যে ৬৪ জন রয়েছে। তারমধ্যে ৫৬ জন ছাত্র এবং ৮ জন ছাত্রী রয়েছে। প্রথম দশে রয়েছে কলকাতার ৪ জন পড়ুয়া। 

    এ বছর থেকেই প্রথম বার সেমেস্টার পদ্ধতিতে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। দেশের মধ্যে এই প্রথম কোনও রাজ্যে সেমেস্টার পদ্ধতিতে দ্বাদশের পরীক্ষার আয়োজন করা হয়। যা গোটা দেশের কাছে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বলে মত সংসদের।

    চলতি বছরে ভোটের কারণে মাধ্যমিকের মতো উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষাও এগিয়ে আনা হয়। পরীক্ষা শুরু হয় ১২ ফেব্রুয়ারি। শেষ হয় ২৭ ফেব্রুয়ারি। এ বার পরীক্ষা শেষের দু'মাস ১৬ দিনের মাথায় ফল ঘোষণা করবে সংসদ। মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৭ লক্ষ ১০ হাজার ৮১১। এর মধ্যে চতুর্থ সেমেস্টারের পরীক্ষা দিয়েছিল ৬ লক্ষ ৩৫ হাজার ৮৬৪ জন। দ্বিতীয় সেমেস্টারের সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা দিয়েছিল ৫৯ হাজার ৪৫২ জন। অন্য দিকে, পুরনো নিয়মে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৫ হাজার ৪৯৫। পরীক্ষা গ্রহণ করা হয় ২১০৩ টি পরীক্ষা কেন্দ্রে।

    প্রসঙ্গত, এ বছর উচ্চ মাধ্যমিকে একইসঙ্গে তিন ধরনের পরীক্ষা নেওয়া হয়। চতুর্থ সেমেস্টারে চূড়ান্ত পরীক্ষার পাশাপাশি তৃতীয় সেমেস্টারের সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষাও নেওয়া হয়। একইসঙ্গে পুরনো ব্যবস্থায় বার্ষিক পদ্ধতির পরীক্ষাও গ্রহণ করা হয়। চতুর্থ সেমেস্টার পরীক্ষার সময়সীমা ছিল সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত। অন্য দিকে সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা চলে দুপুর ১টা থেকে ২টো ১৫ মিনিট পর্যন্ত। এ ছাড়া, পুরনো পদ্ধতিতে পরীক্ষা হয় সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১.১৫ মিনিট পর্যন্ত। পুরনো পদ্ধতির পরীক্ষার্থীরা ছাড়া বাকিদের জন্য পরীক্ষা শুরুর আগে অতিরিক্ত ১০ মিনিট সময় দেওয়া হয় প্রশ্নপত্র পড়ার জন্য।
  • Link to this news (আজকাল)