২০২৬ সালের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। এ বছর পরীক্ষার জন্য নথিভুক্ত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৬ লক্ষ ৩৫ হাজার ৯৩১। তাঁদের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেয় ৬ লক্ষ ২৬ হাজার ২৫৮ জন। উত্তীর্ণ হয়েছেন মোট ৫ লক্ষ ৭১ হাজার ৩৫৫ জন পরীক্ষার্থী। সামগ্রিক পাশের হার দাঁড়িয়েছে ৯১.২৩ শতাংশ।
জেলার নিরিখে সবচেয়ে ভালো ফল করেছে পূর্ব মেদিনীপুর। এই জেলার পাশের হার ৯৪.১৯ শতাংশ, যা রাজ্যের মধ্যে সর্বোচ্চ।এ বার প্রথম দশের মেধাতালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন মোট ৬৪ জন পরীক্ষার্থী। তাঁদের মধ্যে ৫৬ জন ছাত্র এবং ৮ জন ছাত্রী। পরীক্ষায় প্রথম স্থান অর্জন করেছেন আদৃত পাল। তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৬।
প্রথম পাঁচে মেধাতালিকায় স্থানাধিকারীর নাম হল
নাম- আদৃত পাল
প্রাপ্ত নম্বর- নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যালয় (আবাসিক)
স্কুল- ৪৯৬
নাম- জিষ্ণু কুন্ডু
প্রাপ্ত নম্বর- ৪৯৫
স্কুল- রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যাপীঠ (পুরুলিয়া)
নাম- ঋতব্রত নাথ
প্রাপ্ত নম্বর- ৪৯৫
স্কুল- নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যালয় (আবাসিক)
নাম- ঐতিহ্য পাছাল
প্রাপ্ত নম্বর- ৪৯৫
স্কুল- নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যালয় (আবাসিক)
নাম- দেবপ্রিয় মাজি
প্রাপ্ত নম্বর- ৪৯৪
স্কুল- রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যাপীঠ
নাম- তন্ময় মণ্ডল
প্রাপ্ত নম্বর- ৪৯৪
স্কুল- রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যাপীঠ
নাম- সৌম্য রায়
প্রাপ্ত নম্বর- ৪৯৪
স্কুল- নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যালয় (আবাসিক)
নাম- শুভায়ন মণ্ডল
প্রাপ্ত নম্বর- ৪৯৪
স্কুল- সিউড়ি পাবলিক স্কুল এবং চন্দ্রগতি মুস্তাফি মেমোরিয়াল হাই স্কুল
নাম- প্রীতম বল্লভ
প্রাপ্ত নম্বর- ৪৯৪
স্কুল- রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যাপীঠ
নাম- অরিত্রকুমার চক্রবর্তী
প্রাপ্ত নম্বর- ৪৯৩
স্কুল- বরডাঙ্গাল আর.এন. ইনস্টিটিউশন
নাম- গোলাম ফৈসল
প্রাপ্ত নম্বর- ৪৯৩
স্কুল- ক্যালকাটা মাদ্রাসা এ.পি. ডিপার্টমেন্ট
নাম- অর্কদ্যুতি ধর
প্রাপ্ত নম্বর- ৪৯৩
স্কুল- নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যালয় (আবাসিক)
নাম- চন্দ্রচূড় সেন
প্রাপ্ত নম্বর- ৪৯৩
স্কুল- কোচবিহার রামভোলা হাই স্কুল
নাম- মেঘা মজুমদার
প্রাপ্ত নম্বর- ৪৯২
স্কুল- শ্রীরামপুর রমেশচন্দ্র বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
নাম- ত্রিদেব চক্রবর্তী
প্রাপ্ত নম্বর- ৪৯২
স্কুল- রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যাপীঠ
নাম- সৃজন পরিচ্ছা
প্রাপ্ত নম্বর- ৪৯২
স্কুল- রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যাপীঠ
নাম- প্রিয়াংশু মুখোপাধ্যায়
প্রাপ্ত নম্বর- ৪৯২
স্কুল- নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যালয় (আবাসিক)
২০২৬ সাল থেকে উচ্চ মাধ্যমিকে প্রথমবার চালু হয়েছে সেমেস্টার পদ্ধতি। গত ৩১ অক্টোবর প্রকাশিত হয়েছিল প্রথম সেমেস্টারের ফলাফল। সেই মেধাতালিকায় সম্ভাব্য শীর্ষস্থানে উঠে এসেছিলেন প্রীতম বল্লভ এবং আদিত্যনারায়ণ জানা। রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যাপীঠ, পুরুলিয়া-র এই দুই ছাত্রই অর্জন করেছিলেন ৯৮.৯৭ শতাংশ নম্বর।
এ বছর উচ্চ মাধ্যমিকে ১৫টি ভাষা এবং ১৬টি বৃত্তিমূলক বিষয়ে পরীক্ষা নেওয়া হয়। পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্রীর সংখ্যাই ছিল বেশি। ছাত্রদের তুলনায় ৬৬ হাজার ৪৮৬ জন বেশি ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। রাজ্যের মোট ৬ হাজার ৮৩৭টি স্কুলের পড়ুয়ারা এ বছরের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশ নেয়।