• ‘ইচ্ছে করে ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ মুক্তি আটকেছিল’, টলিউডের ব্যান কালচার নিয়েও তোপ মিঠুনের
    প্রতিদিন | ১৫ মে ২০২৬
  • রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠনের পরই নিজের ছেলে নমোশি চক্রবর্তীর ছবি ‘আখরি সওয়াল’ এর প্রচারে মিঠুন চক্রবর্তী। নিজের শহরে ছেলের পাশে বসে আবেগী মহাগুরু। পরক্ষণেই আবার তাঁর ছবির সংলাপের মতোই ঝাঁঝালো। মিঠুন চক্রবর্তীকে বাংলায় পালাবদলের অন্যতম কান্ডারী বললেও অত্যুক্তি হয় না। নির্বাচনের আগে বিজেপি শিবিরের হয়ে লাগাতার প্রচার চালিয়ে গিয়েছেন এই বঙ্গরত্ন। ছোট ছেলে নমোশির ‘আখরি সওয়াল’ মুক্তির আগে ছেলের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ‘ডিস্কো ডান্সার’।

    উল্লেখ্য, সেন্সের চোখ রাঙানির শিকার হয়েছিল এই ছবিও। নির্দিষ্ট দিনে ট্রেলার মুক্তির জন্য প্রথমে সেন্সরের অনুমোদন মেলেনি। ‘আখরি সওয়াল’-এর প্রচারে উঠে এসেছে সেই ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’-এর ঘটনাও। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ ছবির মুক্তি আটকে দিয়েছিল। বাংলায় এই ছবি মুক্তি আটকে যাওয়াতে ব্যথিত মিঠুন চক্রবর্তী। ‘সংবাদ প্রতিদিন’কে মিঠুন বলেন, ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ আটকে যাওয়াতে আমি খুব কষ্ট পেয়েছিলাম। ছবিতে শুধু আমার ছেলে নয় আমিও ছিলাম। আমার দীর্ঘ কেরিয়ারে এরকম ঘটনা আগেকখনও হয়নি। এই জন্য আমি ব্যথিত। স্বাধীনতার আগের একটি ঘটনাকে কোন যুক্তিতে পলিটিক্যাল হিসেবে দাগিয়ে দিয়ে আটকে দেওয়া যায়, তা আমি বুঝিনি।’

    মিঠুন আরও যোগ করলেন, ‘সব সময় হিন্দু-মুসলিম বলে ছবি মুক্তি আটকে দেওয়া হয়েছে। হিন্দু-মুসলিমের উর্ধ্বেও তো সত্যি রয়েছে।’ ব্যান কালচার এবং পূর্বতন তৃণমূল সরকারকেও কটাক্ষ করতে ছাড়ননি মিঠুন। তাঁর সংযোজন, ‘টলিউডের সমস্যা সমাধান নিয়ে কিছু বলতে পারব না। তবে সমস্যার সমাধান হবে। ব্যান কালচার থাকবে না। ইচ্ছে করে আমার ছবি মুক্তি আটকে দিয়েছিল। এত তেল দেওয়া ভালো নয়। বেশি তেল দিতে গিয়ে সরকারই হড়কে গেল।’

    পুত্র নমোশির ভূয়সী প্রশংসা করেন মিঠুন চক্রবর্তী। মিঠুনের বক্তব্য, ‘ও সম্পূর্ণ নিজের চেষ্টায় এই জায়গায় এসেছে। আমি ওকে বিন্দুমাত্র সাহায্য করিনি। ছেলের অভিনয় দেখে বাবা হিসেবে আমি গর্বিত।’ বাবার থেকে প্রশংসা পেয়ে লাজুক নমোশি। ‘হার্ড ওয়ার্কিং’এ বিশ্বাসী মিঠুন পুত্র। তাঁর কথায়, ‘এই শহর আমার নিজের শিকড়। এখানে আমার ছবির প্রমোশন করতে ভীষণ ভালো লাগছে। বাবা পাশে রয়েছেন তাই ভালোলাগা আরও কয়েকগুণ বেড়ে গিয়েছে।’

    বাবার উপদেশ নমোশি অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলেন। ‘বাবা-মা সব সময় বলেন সততার সঙ্গে কঠোর পরিশ্রম করো, সাফল্য আসবেই। জীবনে পরিশ্রম এবং সততার কোনও বিকল্প হয় না।’ বললেন নমোশি। বাবা মিঠুন চক্রবর্তীকে রাজনীতির ময়দানে প্রায়ই দেখা যায়। বাবার মতো নমোশিরও কী রাজনীতিতে আগ্রহ আছে? নমোশির সহাস্য উত্তর, ‘রাজনীতিতে আমার বিন্দুমাত্র আগ্রহ নেই। আমি অভিনেতা হিসেবেই খুশি।
  • Link to this news (প্রতিদিন)