বন্দিরা মোবাইল ফোন ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ ওঠায় প্রেসিডেন্সি জেলের সুপার-সহ দুই কর্তাকে সাসপেন্ড করার কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, তিলজলার ঘটনাতেও পুলিশের এক অফিসারকে সাসপেন্ড করেছে তাঁর সরকার। মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এ বার থেকে কর্তব্যে অবহেলা হলেই এমন পদক্ষেপই করা হবে।
শুক্রবার দুপুরে নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে তিনি বলেন, ‘প্রেসিডেন্সি জেলে প্রচুর মোবাইল ফোন ব্যবহার করা হচ্ছে। স্মার্টফোন ব্যবহার হচ্ছে। এর সঙ্গে জেল কর্তৃপক্ষের একটি অংশ জড়িত। আগের সরকারেরও সমর্থন থাকতে পারে। আমরা এই খবর পেয়েছি। ডিজি কারেকশনাল হোমকে বিষয়ে বিষয়টি জানানো হয়েছিল। তদন্ত করে দেখা যায়, এই ঘটনা সত্যি।’
মুখ্যমন্ত্রী জানান, ইতিমধ্যেই বেশ কিছু মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে প্রেসিডেন্সি জেল থেকে। শুভেন্দু বলেন, ‘গোটা রাজ্যের অপরাধীরা জেলের মধ্যে তাদের নেটওয়ার্ক চালিয়ে যাচ্ছে। আমাদের মনে হয়েছে, এই বিষয়টি একদিনে হয়নি। বছরের পর বছর নীচে থেকে উপরে পর্যন্ত এই চক্র তৈরি করা হয়েছে।’
রাজ্যের সব জেল কর্তৃপক্ষকেই সতর্ক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, ‘অপরাধীদের এ ভাবে সাহায্য করা যাবে না। আজ থেকে এ সব বন্ধ। দমদম সেন্ট্রাল জেল থেকে বহরমপুর জেল– একাধিক জায়গায় এই ধরনের অভিযোগ আছে।’