• প্রেসিডেন্সিতে শাহজাহানদের হাতে স্মার্টফোন! সাসপেন্ড সুপার, ‘ঘুঘুর বাসা’ ভাঙতে তৎপর শুভেন্দু
    প্রতিদিন | ১৫ মে ২০২৬
  • জেলে বসেই দুর্নীতির নেটওয়ার্ক! পূর্বতন শাসক শিবিরের সহযোগিতায় স্মার্টফোন ব্যবহারের অভিযোগ। প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে ‘ঘুঘুর বাসা’ ভাঙতে তৎপর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এই ঘটনায় তদন্তে নেমে একাধিক মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। প্রেসিডেন্সির সুপার এবং চিফ কন্ট্রোলারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এই ঘটনায় সিআইডি তদন্তের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার বিধানসভা থেকে সোজা নবান্নে পৌঁছে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই নির্দেশ জানান শুভেন্দু অধিকারী।

    শুক্রবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু বলেন, “প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে মোবাইল ব্যবহার হচ্ছে। আগের সরকারের সাপোর্ট কিংবা ক্যালাসনেস থাকতে পারে। অভিযোগ পাওয়ার পর রাজ্য পুলিশের ডিজিকে জানাই। দেখা যায় অভিযোগ সত্যি। কলকাতা পুলিশের ডিসি সাউথের উপস্থিতিতে এবং ডিজি কারেকশনাল হোমের যৌথ অপারেশনে মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। আমরা এটা পাবলিকলি আনতে চাইছি এই কারণে যে গোটা রাজ্যের অপরাধীরা জেলের মধ্যে অপরাধী নেটওয়ার্ক চালিয়ে যাচ্ছে। শাসকের (তৃণমূল সরকারের) সহযোগিতায়।”

    শুভেন্দু আরও বলেন, “আমাদের মনে হয় এই প্র্যাকটিসটা একদিনের নয়। বছরের পর বছরের। নিচ থেকে উপর পর্যন্ত এত দুর্নীতির আঁতাঁত করে রেখেছে। তা ভাঙতে কিছুটা সময় লাগবে। যারা এই কাজগুলো করছে তাদের সতর্ক করতে চাই এই কাজগুলো আজ থেকে বন্ধ। দমদম থেকে বহরমপুর পর্যন্ত একাধিক সংশোধনাগারে এই কাজ চলছে। সুপ্রিম কোর্টের গাইডলাইন মেনে আলাদা সেলে সরানো থেকে শুরু করে। শাহজাহান-সহ যেভাবে জেলে বসে নেটওয়ার্ক চালাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা করা হচ্ছে।” এই ঘটনায় প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারের সুপার এন কুজুর এবং চিফ কন্ট্রোলার দীপ্ত ঘরাইকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। আধিকারিকদের উদ্দেশে শুভেন্দুর বার্তা, “আপনার যে কাজ দেওয়া হচ্ছে সে কাজটি করুন। কর্তব্যের গাফিলতি হলে শুধু অপরাধী নয়। অপরাধের সঙ্গে যারা যুক্ত তাদের সকলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” কার নামে সিম, মোবাইল কীভাবে এল তা জানতে সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দেন শুভেন্দু।
  • Link to this news (প্রতিদিন)