• সংসদের মতো বিধানসভার অধিবেশনেরও লাইভ সম্প্রচার হবে, জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু
    এই সময় | ১৫ মে ২০২৬
  • লোকসভা এবং রাজ্যসভার মতো এ বার বাংলায় বিধানসভার অধিবেশনেরও সরাসরি সম্প্রচার হবে। অষ্টাদশ বিধানসভায় স্পিকার হিসাবে রথীন্দ্রনাথ বসু নির্বাচিত হওয়ার পরেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। শুক্রবার বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, ‘বিধানসভায় সকলেই জনগণের প্রতিনিধি হয়ে এসেছেন। বিধানসভার মধ্যে সরকারপক্ষ কী করছে, বিরোধীপক্ষ কী ভূমিকা নিচ্ছে, সব জানার অধিকার জনতার আছে। গোপনীয়তার কিছু নেই। লাইভ স্ট্রিমিং হবে, মানুষের নজরদারি থাকবে।’

    সূত্রের খবর, আগের তৃণমূল সরকারের আমলেও লাইভ সম্প্রচারের ব্যবস্থা ছিল। তবে তা সব দিন করা হতো না। বিধানসভা অধিবেশনের নির্দিষ্ট কিছু দিনে তা সরাসরি সম্প্রচার করা হতো। বিশেষ করে মুখ্যমন্ত্রীর ভাষণের দিনে। এ বার সব দিনই অধিবেশনের লাইভ সম্প্রচার হবে। এই ব্যবস্থার জন্য পরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুকে বক্তৃতা করতে উঠে ধন্যবাদও জানান ভাঙড়ের আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি।

    শুক্রবার বিধানসভার নতুন স্পিকার নির্বাচিত হন কোচবিহার দক্ষিণ কেন্দ্রের বিধায়ক রথীন্দ্রনাথ বসু। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ধ্বনি ভোটে তিনি নির্বাচিত হন। পরে মুখ্যমন্ত্রী ও শাসকদলের পরিষদীয় দলনেতা শুভেন্দু এবং বিরোধী দলনেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের হাত ধরে রথীন্দ্র স্পিকারের কুর্সিতে বসেন। তাঁকে শুভেচ্ছা জানান প্রাক্তন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এর পরেই বক্তৃতা করতে উঠে নতুন স্পিকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে লাইভ সম্প্রচারের কথা বলেন শুভেন্দু। পাশাপাশিই তিনি বলেন, ‘গঠনমূলক বিরোধিতা চাই। বিধানসভা মারামারির জায়গা নয়। সংবিধানের পরিভাষায় House belongs to the Opposition।’

    পূর্বতন তৃণমূল সরকারকে খোঁচাও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেছেন, ‘বিধানসভায় শাসক-বিরোধী দু’পক্ষই নিজেদের বক্তব্য জানাক। সরকার এবং বিরোধী পক্ষ ৫০-৫০ ভাগে বক্তৃতার সুযোগ পাবে। ১১ মাস যেন বিরোধী দলের নেতাকে বিধানসভার বাইরে না-রাখা হয়।’

  • Link to this news (এই সময়)