পূর্বতন সরকারের আমলে অর্থাৎ ২০১১ সালের পর থেকে যত জাতিগত শংসাপত্র জারি করা হয়েছে, সেগুলির রি-ভেরিফিকেশন করা হবে। এমনটাই সিদ্ধান্ত নিল রাজ্যের অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দপ্তর। শুক্রবার রি-ভেরিফিকেশনের নির্দেশ দিয়ে সমস্ত জেলাশাসকদের চিঠি পাঠানো হয়েছে।
তৃণমূল আমলে কাস্ট সার্টিফিকেট নিয়ে দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছিল বার বার। রাজ্যকে আদিবাসী উন্নয়ন এবং শ্রেণি কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু বলেন, ‘তৃণমূল কংগ্রেসের আমলে বহু ভুয়ো ও গরমিল থাকা এসসি-এসটি-ওবিসি সার্টিফিকেট (তফসিলি শংসাপত্র) তৈরি হয়েছে। এ সব শংসাপত্র ব্যবহার করে অনেকে সুযোগ-সুবিধা পেয়েছেন।’ যে সব আধিকারিকদের তত্ত্বাবধানে এই সার্টিফিকেটগুলি ইস্যু করা হয়েছে, সেই অধিকারিকদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করা হবে বলে জানিয়েছিলেন মন্ত্রী।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ২২ মে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চ ২০১০ সালের পর থেকে ইস্যু হওয়া সমস্ত ওবিসি শংসাপত্র বাতিল করে দেয়৷ আদালত জানায়, ওয়েস্ট বেঙ্গল ব্যাকওয়ার্ড ক্লাস কমিশনের ১১৯৩ সালের আইন অনুযায়ী শংসাপত্র দেওয়া হয়নি। রাজ্যকে ফের সমীক্ষা করে সার্টিফিকেট ইস্যু করার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। কিন্ত নতুন তালিকা তৈরির পরে তাতেও গলদ ছিল বলে অভিযোগ। পূর্বতন সরকারের সেই তালিকার উপরেও ২০২৫ সালের ১৫ জুন স্থগিতাদেশ দিয়েছিল আদালত।