• কেরলে সোমবার শপথ সতীশনের
    বর্তমান | ১৬ মে ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: আগামী সোমবার কেরলের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেবেন কংগ্রেসের ভি ডি সতীশন। এক দশক পর ফের সরকারে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ। শপথ অনুষ্ঠানে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী  সি জোসেফ বিজয় উপস্থিত থাকবেন বলেই কংগ্রেস সূত্রে জানা গিয়েছে। বিজয়কে এখন কাছছাড়া করতে চাইছে না কংগ্রেস। তামিলনাড়ুতে ১০৮ আসন জেতা বিজয়ের দল টিভিকের সঙ্গে সরকারে শামিল হয়েছে কংগ্রেস। মাত্র পাঁচজন বিধায়ক নিয়েই সরকারের শরিক। পাবে মন্ত্রিত্বও। 

    ২০২৯ সালে লোকসভা নির্বাচন। বিজয়ের সঙ্গেই জোট করে সাংসদ বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে কংগ্রেস। একইসঙ্গে চেষ্টা চলছে, টিভিকেকেও মোদি বিরোধী ‘ইন্ডিয়া’ জোটে শামিল করার। কিন্তু দীর্ঘদিনের সঙ্গী ডিএমকে’র সঙ্গে সম্পর্ক কী হবে, টানাপোড়েনে পড়েছেন মল্লিকার্জুন খাড়্গে। লোকসভায় ডিএমকে’র রয়েছে ২২ সাংসদ। রাজ্যসভায় আট। সংসদ থেকে সড়ক, বিজেপি বিরোধী যেকোনো কর্মসূচিতে কংগ্রেসের সঙ্গেই সুর মেলায় ডিএমকে। কিন্তু এখন তারা দূরত্ব তৈরি করছে। তামিলনাড়ুতে ভোটের ফলাফলের পর কংগ্রেসও ডিএমকে’র সঙ্গে যোগাযোগই রাখছে না। 

    জুলাই মাসে সংসদের বাদল অধিবেশনে কংগ্রেস কীভাবে ইন্ডিয়া জোট ধরে রাখবে, চিন্তায় পড়েছেন খাড়্গে। আগামী লোকসভা নির্বাচনে মোদি বিরোধী জোটে ডিএমকে’কে কি আদৌ থাকবে? কংগ্রেসের অন্দরেই শুরু হয়েছে জল্পনা। এআইসিসির একাংশর মন্তব্য, রাজ্য-রাজনীতির পরিপ্রেক্ষিতে বিজেপি তথা এনডিএ শরিক এআইএডিএমকে’র হাত থেকে বিজয়কে বাঁচাতেই টিভিকে’র সঙ্গে জোট হয়ত ভালো। কিন্তু জাতীয়স্তরে? 

    সেখানে তো ইন্ডিয়া জোট দুর্বল হবে। তাই দল চাইছে, সোনিয়া এবং রাহুল গান্ধী উদ্যোগ নিন। কথা বলুন স্ট্যালিনের সঙ্গে। কারণ, ইন্ডিয়া জোটে বরাবরই রাহুলের অবস্থানকে সমর্থন করেছেন স্ট্যালিন। নয়াদিল্লির মিন্টো রোডে ডিএমকে’র পার্টি অফিস উদ্বোধনও করেছেন সোনিয়া গান্ধী। তাই বিজয়কে সঙ্গে রেখেও রাজনৈতিক পরিস্থিতির দায় বুঝিয়ে ডিএমকে’কে কীভাবে জোটে জিইয়ে রাখা যাবে, রাস্তা খুঁজছে কংগ্রেস। 
  • Link to this news (বর্তমান)