• ধসের জেরে জামুড়িয়ার কয়লা খনিতে কাজ বন্ধ, তদন্তে ইসিএল কর্তা
    বর্তমান | ১৬ মে ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: চালু কয়লা খনিতে এয়ার ব্লাস্টের জেরে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটার একদিন পরও আতঙ্কে শ্রমিকরা। ফলে, শুক্রবার জামুড়িয়ায় পড়াশিয়া কয়লা খনিতে কাজ হয়নি। অন্যদিকে, দুর্ঘটনাস্থল ঘিরে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত শুরু করেছে কয়লামন্ত্রক। বৃহস্পতিবার সকালে দুর্ঘটনা ঘটে। সেদিন রাতেই ঘটনাস্থলে আসেন ইসিএলের সিএমডি সতীশ ঝাঁ। ডুলিতে করে ১৫০ মিটার ভূগর্ভে থাকা দুর্ঘটনাস্থল গিয়ে পরিদর্শন করেন তিনি। বৃহস্পতি ও শুক্রবার দু’দফায় ডিরেক্টর জেনারেল অফ মা‌ইন সেফটির আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করে। শুক্রবার ঘটনাস্থল সরেজমিনে খতিয়ে দেখেন ইসিএলের প্ল্যানিং অ্যাণ্ড প্রজেক্টের ডিরেক্টর গোপীনাথ নায়ার। জানা গিয়েছে, চালু কয়লা খনিতে এই ধরনের দুর্ঘটনাকে একেবারেই হালকা ভাবে দেখছে না কর্তৃপক্ষ। তাই সর্বোচ্চ পর্যায়ের তদন্তের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কীভাবে চালু খনির কয়লার চাল ধসে পড়ল? কিংবা চাল ধসে পড়ার সম্ভবনা কেন আগে তাঁদের নজরে এল না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি, বালি পর্যাপ্ত ভাবে ভরাট না করার জন্যই কী চাল ধসে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। 

    ইসিএলের ডিরেক্টর গোপীনাথ নায়ার বলেন, উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত চলছে। তদন্ত রিপোর্ট দ্রুত পাওয়া যাবে। তারপরই মন্তব্য‌ করা সম্ভব। 

    বৃহস্পতিবার জামুড়িয়া থানার অন্তর্গত কুনুস্তোড়িয়া এরিয়ায় পড়াশিয়া কোলিয়ারিতে দুর্ঘটনা ঘটে। এয়ার ব্লাস্টের জেরে ভূগর্ভস্থ খনিতে শ্রমিকরা ছিটকে পড়ে। এক জনের মৃত্যু হয়। ১১ জন জখম হন।  খনির কয়লার চাল ভেঙে পড়ার জেরেই এয়ার ব্লাস্ট হয়। 

    এই কোলিয়ারিতে যে পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলন হয় তাতে একদিকে কয়লা কাটা হয়। অন্যদিকে, সেই ফাঁকা জায়গায় বালি ভরাট করা হয়। অভিযোগ ওঠে, দীর্ঘদিন পর্যাপ্ত বালি ভরাট না করার জন্যই মাটিতে চাপ সৃষ্টি হয়। তাতেই কয়লার চাল ভেঙে পড়ে। সিটু নেতা জিকে শ্রীবাস্তব বলেন, মৃত শ্রমিকের পরিবার চাকরি পেয়েছে। এবার কী তদন্ত রির্পোট আসে, সেদিকে নজর রাখছি।-নিজস্ব চিত্র
  • Link to this news (বর্তমান)