• বাংলাতেও এবার ডিলিমিটেশন? ইঙ্গিত দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী
    আজ তক | ১৬ মে ২০২৬
  • তবে কি এবার প্রতিবেশী রাজ্য অসমের মতো ডিলিমিটেশন হতে চলেছে বাংলাতেও? শুক্রবার এই ইঙ্গিত মিলেছে খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কথাতেই। গতকাল নতুন স্পিকার রথীন্দ্র বসু নির্বাচনের পর বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু বলেন, ডিলিমিটেশন হলে  রাজ্যে বিধানসভা আসনের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে। সেক্ষেত্রে নতুন বিধানসভা ভবন নির্মাণের প্রয়োজন হতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    বিধানসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “ভবিষ্যতে একাধিক সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে। আজ এখানে উপস্থিত রাজ্য সরকারি আধিকারিকরা এই ঐতিহাসিক অধিবেশনের সাক্ষী। যদি ডিলিমিটেশন হয়, তবে বিধানসভা আসনের সংখ্যা অনেকটা বাড়তে পারে। সেই পরিস্থিতিতে নতুন বিধানসভা ভবন তৈরির প্রয়োজন হতে পারে।”

    রাজনৈতিক মহলে এই মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ, দেশজুড়ে ডিলিমিটেশন নিয়ে কেন্দ্রের সম্ভাব্য উদ্যোগ নিয়ে ইতিমধ্যেই জল্পনা চলছে। সম্প্রতি ২০২৯ সাল থেকে আইনসভায় মহিলাদের সংরক্ষণ কার্যকর এবং লোকসভা আসন বৃদ্ধির লক্ষ্যে আনা সংবিধান সংশোধনী বিল লোকসভায় পাশ হয়নি। 

    শুভেন্দু অধিকারীর এই মন্তব্যের পর প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, ভবিষ্যতে পশ্চিমবঙ্গেও কি ২০২৩ অসম ডিলিমিটেশনের মতো সীমানা পুনর্নির্ধারণ হতে পারে? যদিও অসমে সেই প্রক্রিয়া নিয়ে বিরোধীরা অভিযোগ তুলেছিল, এতে সংখ্যালঘু ভোটারদের প্রভাব কমে গিয়েছে। 

    অন্যদিকে, গতকাল অধিবেশনের শুরুতেই মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, এখন থেকে বিধানসভার সমস্ত কার্যক্রম সাধারণ মানুষের জন্য সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। তাঁর মতে, সংসদীয় গণতন্ত্রে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। পাশাপাশি তিনি আশা প্রকাশ করেন, বিধানসভার কার্য পরিচালনায় বিরোধীরাও সহযোগিতা করবেন।

    অতীতের অভিজ্ঞতার প্রসঙ্গ টেনে মুখ্যমন্ত্রী বিরোধী দলনেতাকে দীর্ঘদিন অধিবেশনের বাইরে রাখার ঘটনা নিয়ে কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক পরিসরে হিংসা বা বিধানসভার কাজ ব্যাহত করার কোনও সংস্কৃতি গ্রহণযোগ্য নয়। নবনির্বাচিত অধ্যক্ষের কাছে তিনি অনুরোধ করেন, বিরোধীদের বক্তব্য রাখার জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ নিশ্চিত করা হোক।

     
  • Link to this news (আজ তক)