লাউডস্পিকার বিধিতে পুলিশ ফাঁড়িতে ভাঙচুর, গ্রেপ্তার ৭
দৈনিক স্টেটসম্যান | ১৬ মে ২০২৬
ধর্মীয় স্থানে লাউডস্পিকারের শব্দসীমা নিয়ে রাজ্য সরকারের নতুন নির্দেশিকাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল আসানসোলের রেলপাড় এলাকা। আসানসোল উত্তর থানার জাহাঙ্গির মহল্লা পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় ইতিমধ্যেই ৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী ও র্যাফ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েকদিন আগে সরকার ধর্মীয় স্থানে মাইক ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শব্দসীমা বেঁধে দেয়। সেই নির্দেশিকা সম্পর্কে স্থানীয়দের সচেতন করতে রেলপাড় এলাকায় যায় পুলিশ।
মন্দির ও মসজিদ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠকও চলছিল। অভিযোগ, সেই সময় আচমকাই একদল দুষ্কৃতী পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা চালায়। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট ছোঁড়া হয় এবং ফাঁড়ির ভিতরে ঢুকে ভাঙচুর করা হয়। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের গাড়িতেও হামলার অভিযোগ উঠেছে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠতেই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং বহু দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়।ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের বাহিনী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে র্যাফ নামানো হয়। ঘটনায় ৫ জন পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।
ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তিনি বলেন, ‘আইন সবার জন্য সমান এবং কোনও ধর্মের নাম করে জনজীবনে সমস্যা সৃষ্টি বরদাস্ত করা হবে না।’ তাঁর কথায়, শব্দদূষণের নিয়ম কঠোরভাবে কার্যকর করা হবে এবং পুলিশকে আর নিষ্ক্রিয় হয়ে থাকতে দেওয়া হবে না। আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনার প্রণব কুমার জানিয়েছেন,এখনও পর্যন্ত ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এলাকায় পুলিশ পিকেট বসানো হয়েছে।