আন্দামানে বর্ষার প্রবেশ। আবার দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে সুস্পষ্ট নিম্নচাপ। তার প্রভাবে সক্রিয় দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু। সবমিলিয়ে উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা। যদিও কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। বিকেলের দিকে হালকা ঝড়বৃষ্টি হতে পারে।
আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শনিবার কলকাতায় ঝড়বৃষ্টির সামান্য সম্ভাবনা রয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুর, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়া এবং ঝাড়গ্রামে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি। ৩০ থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত দমকা ঝোড়ো বাতাস হইতে পারে। রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা কমবে। বাড়বে গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়া। বিক্ষিপ্তভাবে দু-এক জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। শনিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৩.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শুক্রবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫.৭ ডিগ্রি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৬০ থেকে ৯৪ শতাংশ। গত ২৪ ঘন্টায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ১৬.৪ মিলিমিটার।
শনিবার কোচবিহার, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা। ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের সম্ভাবনা। রবিবার ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে আলিপুরদুয়ারে। বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টিতে ভিজতে পারে দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহার। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি এবং ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে উত্তরবঙ্গে ঝড়ের সম্ভাবনা। সোমবারও বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সঙ্গে ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝড়ের সম্ভাবনাও রয়েছে। বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টি হতে পারে জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারে। মঙ্গলবার বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা। ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়া। সাধারণ মানুষকে স্বস্তি দিয়ে কবে বাংলায় বর্ষা ঢুকবে, সেটাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন।