আজকাল ওয়েবডেস্ক: বারাসত মেডিকেল কলেজের ভেতরে দীর্ঘদিন ধরে প্রায় কয়েকশ দোকান গজিয়ে উঠেছে। যার ফলে রোগীদের বসার জায়গার সমস্যা দেখা দিয়েছে। আর এবার হাসপাতাল পরিষ্কার করতে হবে, এমনটাই জানালেন বারাসতের বিধায়ক শংকর চ্যাটার্জি। শনিবার তিনি জানান, হাসপাতালে আসা রোগীর পরিবারের যাতে কোনও রকম অসুবিধা না হয় তাই হাসপাতালের মধ্যে যেসব দোকান রয়েছে সেগুলিকে অবিলম্বে সরিয়ে নিতে হবে।
গত শুক্রবার রাজ্যের স্বাস্থ্যকর্তা ও কলকাতার আটটি মেডিক্যাল কলেজ ও টিচিং ইনস্টিটিউশনের কর্তাদের নিয়ে এসএসকেএমে হাসপাতালে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার হাল বদলাতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় সেই বৈঠকে। মুখ্যমন্ত্রী পরিষ্কার জানান, রোগী প্রত্যাখ্যান শূন্যে নামাতে তাঁর সরকার বদ্ধপরিকর। সরকারি হাসপাতালে বেড না থাকলে প্রয়োজনে সরকারি তত্ত্বাবধানে বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ, বেসরকারি হাসপাতাল এবং কেন্দ্রীয় সরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হবে রোগীকে।
এরপরই শনিবার সাত সকালে বারাসত গভমেন্ট মেডিকেল কলেজে সমস্ত কিছু খতিয়ে দেখতে উপস্থিত হলেন বারাসাতের বিধায়ক শংকর চ্যাটার্জি। এদিন তিনি প্রথমে দীর্ঘক্ষন এমএসভিপির সঙ্গে কথা বলেন। তারপরে সেখান থেকে বেরিয়ে তিনি বারাসত মেডিকেল কলেজের বিভিন্ন ওয়ার্ডে যান এবং সেখানে রোগীদের সঙ্গেও কথা বলেন।
শেষে বিধায়ক জানান, আগের থেকে অনেক পরিবর্তন হয়েছে। আগে যেমন বারাসত হাসপাতালে বিভিন্ন ওয়ার্ডে ময়লা থাকতো সেগুলি এখন নেই। রোগীদের সঙ্গেও কথা বলেছি, তারা আগের থেকে অনেক ভাল পরিষেবা পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি আরও জানান বারাসত হাসপাতালের বেডের সংখ্যা ৬১২ টি কিন্তু বেডের সংখ্যা আরও বাড়াতে হবে।
বারাসত মেডিক্যালের বহু সমস্যাও চিহ্নিত করেছেন বিধায়ক। তবে এদিন তিনি সেইসব সমস্যা নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। বারাসাত মেডিক্যাল কলেজের অ্যাম্বুলান্স-এর বেশি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। তা নিয়ে ইতিমধ্যেই বিধায়কের কাছে রোগীর পরিবারের লোকজনরা অভিযোগ জানিয়েছেন। সে বিষয়ে এদিন বিধায়ক শঙ্কর চ্যাটার্জি বলেন, "আমি ইতিমধ্যেই অ্যাম্বুলান্স এর যে সকল চালকরা আছেন তাঁদেরকে বলে দিয়েছি পাবলিক সেক্টরে আপনারা কাজ করছেন তাই সার্ভিসটা সবার আগে আপনাদের দিতে হবে। তাঁরা ইতিমধ্যে আমাকে কথা দিয়েছে আর এরকম হবে না বলে।"