• ‘মেয়েকে খুন, আমার উপর অ্যাসিড হামলার ছক কষেছিল’, তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক বৈশাখী
    প্রতিদিন | ১৭ মে ২০২৬
  • তৃণমূল থেকে বিজেপি, তারপর ফের তৃণমূল। শোভন চট্টোপাধ্যায় ও বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Baishakhi Banerjee) রাজনৈতিক জীবন কারও অজানা নয়। কয়েকমাস আগেই তৃণমূলে ঘর ওয়াপসি হয়েছিল তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রিয় কাননের। কিন্তু ভোটের ময়দানে দেখা যায়নি তাঁকে। পালাবদল হতেই এবার তৃণমূলের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিলেন শোভনের বিশেষ বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। দম্ভের কারণেই তৃণমূলের এই পরিণতি বলে দাবি করে জানালেন, তাঁদের সঙ্গে ঠিক কী কী করেছে দলের একাংশের নেতারা।

    বাংলার রাজনীতিতে শোভন-বৈশাখী অত্যন্ত পরিচিত নাম। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অত্যন্ত আস্থাভাজন ছিলেন শোভন। পরবর্তীতে দলের সঙ্গে, ‘দিদি’র সঙ্গে দূরত্ব বাড়ে। শোভন-বৈশাখী একসঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন বিজেপিতেও। কিন্তু বিজেপি মোহ তাঁদের বেশিদিন টেকেনি। ফের তৃণমূলে ফেরেন তাঁরা। এনকেডিএ’র চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পান শোভন। মনে করা হচ্ছিল, ছাব্বিশ নির্বাচনে হয়তো প্রিয় কাননকে টিকিট দেবে দল। কিন্তু তা হয়নি। প্রচারেও দেখা যায়নি শোভন-বৈশাখীকে। তবে প্রকাশ্যে কোনওদিনই কিছু বলেননি তাঁরা। পালাবদলের পর অবশেষে তৃণমূলের একাংশের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন বৈশাখী।   

    ঠিক কী বলেছেন তিনি? একটি সংবাদমাধ্যমের সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, তাঁর মেয়েকে খুনের ছক কষা হয়েছিল। বৈশাখী বলেন, “আমি শোভনের সঙ্গে খেতে গিয়েছিলাম। তখন আমার ফোনে অপরিচিত নম্বর থেকে একটি মেসেজ আসে। আমি জিজ্ঞাসা করি, আপনি কে? তখন ওপাশ থেকে জানানো হয়, ‘আমি আপনার একজন নারী নিরাপত্তারক্ষীর স্বামী।” বৈশাখীর দাবি সেই ফোনেই তাঁকে জানানো হয়েছিল তাঁর মেয়েকে খুন করার জন্য এবং তাঁর মুখে অ্যাসিড ছুড়ে মারার জন্য সুপারি দেওয়া হয়েছিল। এখানেই শেষ নয়, শোভন চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ভুয়ো ধর্ষণের মামলা দায়ের করার পরিকল্পনাও ছিল।  এদিন সরাসরি ফিরহাদ হাকিমকে নিশানা করেছেন বৈশাখী বলেন, “ফিরহাদ হাকিম আমাকে হুমকি দিয়েছিলেন, কলেজ থেকে ‘উখাড়কে ফেক দেঙ্গে’ আজ তাঁর দলকেই মানুষ অনেক জায়গায় উপড়ে ফেলেছে।” তবে নিশানায় শুধু ফিরহাদ নন, আরও অনেককেই নাম না করে বিঁধেছেন বৈশাখী। 
  • Link to this news (প্রতিদিন)