• মেয়েকে কুয়োয় ফেলে পাথর দিয়ে আঘাত! সাংঘাতিক অভিযোগ বাবার বিরুদ্ধে
    এই সময় | ১৭ মে ২০২৬
  • কর্নাটকের তুমাকুরু জেলায় শিউরে ওঠার মতো ঘটনা। কিশোরী মেয়ের বিয়ে নিয়ে বাড়িতে মতানৈক্য। মেয়েকে খুনের অভিযোগ উঠল বাবার বিরুদ্ধে। শিরা তালুকের নিম্বেমারাদাহল্লি গ্রামে বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকত ওই কিশোরী। এক মাসেরও বেশি সময় ধরে নিখোঁজ ছিল সে। এর পরেই পরিবারের লোকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ। তাতেই বাবা থিম্মারায়াপ্পাইয়ের ভূমিকা নিয়ে সন্দেহ হয় তদন্তকারীদের। পরে জেরায় থিম্মারায়াপ্পাই স্বীকার করে, পারিবারিক অশান্তির জেরে সে মেয়েকে খুন করেছে।

    গত ১৬ এপ্রিল থেকে নিখোঁজ ছিল ওই কিশোরী। বাড়ি থেকে নিখোঁজ ডায়েরি করা হয় থানায়। তদন্তে নামে পুলিশ। এর পরেই পরিবারের লোকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পারে, মেয়ের বিয়ে নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরেই বাড়িতে অশান্তি চলছিল। মেয়ের ১৮ বছর না হলেও মা নির্মলা ও নির্মলার বাপের বাড়ির লোকেরা এক আত্মীয়ের ছেলের সঙ্গে ওই কিশোরীর বিয়ে ঠিক করে ফেলেন। এমনকী পাত্রপক্ষ বিয়ের জন্য শাড়ি ও মঙ্গলসূত্রও কিনে ফেলেছিল।

    কিন্তু থিম্মারায়াপ্পা এই বিয়েতে রাজি ছিল না। গত কয়েক মাস ধরে এ নিয়ে পরিবারে প্রায়ই ঝগড়া হচ্ছিল বলে তদন্তকারীরা জানিয়েছেন। ১৬ এপ্রিল ঝামেলা চরমে ওঠে। এর পরেই কিশোরী মেয়ে নিখোঁজ হয়ে যায়। সন্দেহ আরও বাড়ে যখন তার বাবাও হঠাৎ উধাও হয়ে যায়।

    পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদের সময়ে থিম্মারায়াপ্পা অপরাধের কথা স্বীকার করে। তদন্তকারীদের মতে, সে প্রথমে মেয়েকে একটি কুয়োতে ঠেলে ফেলে এবং পরে পাথর দিয়ে আঘাত করে। এর পরে দেহটি কুয়ো থেকে তুলে একটি নির্জন জায়গায় পুঁতে রাখে।

    একেবারে ঠান্ডা মাথায় মেয়েকে খুনের পরে স্ত্রীকে নিয়ে থানায় গিয়ে মেয়ের নিখোঁজ সংক্রান্ত অভিযোগও জানিয়ে আসে থিম্মারায়াপ্পা। লক্ষ্য ছিল, কোনও ভাবেই যাতে তার উপরে সন্দেহ না হয়। যদিও পুলিশের প্রশ্নের মুখে সত্যি লুকোতে পারেনি ওই ব্যক্তি।

  • Link to this news (এই সময়)