বনগাঁ পেট্রাপোল সীমান্তের কাঁটাতারহীন এলাকায় রবিবার পরিদর্শনে গেলেন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী ও বনগাঁ উত্তরের বিধায়ক অশোক কীর্তনীয়া। সীমান্ত এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বললেন তিনি। তাঁদের সমস্যার কথা শোনেন মন্ত্রী। কাঁটাতার বসানোর জন্য জমি দেওয়ার ব্যাপারেও কথা হয় স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে।
এ দিন সকালে উত্তর ২৪ পরগনার ভারত বাংলাদেশ সীমান্তের স্বরূপদহের কালিয়ানি কালিয়ানি এলাকায় যান রাজ্যের মন্ত্রী। তাঁকে কাছে পেয়ে এলাকার মানুষ তাঁদের সমস্যার কথা জানান। স্থানীয়দের দাবি, অতীতে কাঁটাতার কোথা থেকে বসবে তাঁদের ঠিকমতো জানানো হয়নি। জমির সঠিক দাম নিয়েও কথা হয়নি, ফলে জমি দিতে তারা রাজি ছিল না। ওই এলাকার জলাভূমিতে বাংলাদেশ থেকে লোকজনেরা মাছ ধরে নিয়ে যান। ভারতের ভূখণ্ডে বসবাসকারী ভারতীয় মৎস্যজীবীদের মাছ ধরতে দেওয়া হয় না বলেও মন্ত্রীর কাছে অভিযোগ জানান স্থানীয় বাসিন্দারা।
মন্ত্রী এ দিন বলেন, ‘দেশের সুরক্ষার সঙ্গে কোনওরকম আপস করা হবে না। আমি এখানকার বাসিন্দাদের আশ্বস্ত করেছি, জোট দ্রুত সম্ভব এখানে কাঁটাতার দেওয়া হবে।’ মন্ত্রী জানান, উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটের তিনটি মৌজায় সীমান্তে কাঁটাতার দেওয়া নিয়ে সমস্যা রয়েছে। সেখানকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে। আইন অনুযায়ী দেশের সুরক্ষার স্বার্থে যা ব্যবস্থা নেওয়ার হবে বলে জানান মন্ত্রী।
স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, ‘এখানে উনি (মন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়া) পরিদর্শনে এসেছিলেন। আমরা স্বেচ্ছায় জমি দেব। তবে যতটা দূর থেকে কাঁটাতার দেওয়া যায়, অর্থাৎ আমাদের যতটা বাঁচে, সেটা দেখার কথা বলা হয়েছে। কেন না জমির উপরেই আমাদের জীবিকা নির্ভর করে।’