দুর্নীতি ও তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন কৃষ্ণনগর ১ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির কৃষি কর্মাধ্যক্ষ সরজিত বিশ্বাস। তিনি দিগনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধানও ছিলেন। দিগনগর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় একটি দেশি মদ তৈরির কারখানায় ঠিকাদারের মাধ্যমে শ্রমিক সরবরাহের কাজ করতেন সরজিত।
সরজিত বিশ্বাসের বিরুদ্ধে ওই কারখানার কর্মীদের কাছ থেকে তোলা আদায়ের অভিযোগ উঠেছিল। কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানায় সরজিত বিশ্বাসের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। তার পরেই কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানার পুলিশ শনিবার রাতে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। এ দিন ধৃতকে কৃষ্ণনগর জেলা আদালতে তুলে পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজতের আবেদন জানানো হয়।
যদিও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সরজিত বিশ্বাস। তাঁর পাল্টা অভিযোগ, শুধুমাত্র তৃণমূল কর্মী হওয়ার ফলে তাঁকে রাজনৈতিক ভাবে ফাঁসানো হয়েছে। সবরকম তোলাবাজির কথা অস্বীকার করেছেন সরজিত বিশ্বাস। তাঁর দাবি, ‘আমি জানি না কেন ধরল। শনিবার রাতে আমাকে ধরেছে। কেন গ্রেপ্তার করেছে তা কিছু বলেনি।’ তাঁর বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ কখনও ছিল না বলে দাবি সরজিতের। তিনি সক্রিয় তৃণমূল কর্মী, রাজনৈতিক কারণেই তাঁর বিরুদ্ধে প্রতিহিংসামূলক আচরণ করা হচ্ছে বলে আদালতে যাওয়ার পথে জানিয়েছেন সরজিত বিশ্বাস।