• বুলডোজ়ার হাওড়া স্টেশনের বাইরে! রাতেই গুঁড়িয়ে দেওয়া হল ফুটপাথের ১৫০-র বেশি ‘অবৈধ’ দোকান
    আনন্দবাজার | ১৭ মে ২০২৬
  • হাওড়া স্টেশনেরবাইরে চলল বুলডোজ়ার। রাতে অভিযান চালিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল ফুটপাথের ১৫০টিরও বেশিদোকান। অভিযোগ, সেগুলি অবৈধ ভাবে গড়ে তোলা হয়েছিল। যাত্রীদের সুবিধার জন্য এইউচ্ছেদ অভিযান হাওড়া স্টেশনের বাইরে চালানো হয়েছে বলে দাবি রেল কর্তৃপক্ষের।

    কলকাতারউপকণ্ঠে অন্যতম ব্যস্ত রেলস্টেশন হাওড়া। প্রতি দিন বহু মানুষ এই স্টেশন দিয়ে যাতায়াতকরেন। স্টেশনের বাইরে গজিয়ে ওঠা দোকানগুলি ঘিরে যাত্রীদের একাংশের মধ্যে দীর্ঘ দিনধরেই ক্ষোভ ছিল। অভিযোগ, এই দোকানগুলির কারণে হাওড়া স্টেশন সংলগ্ন এলাকা সর্বক্ষণঘিঞ্জি হয়ে থাকে। এমনিতেই সেখানে মানুষের আনাগোনা বেশি। ট্রেন ধরার তাড়া থাকলে দোকানেরভিড়ের কারণে যাতায়াতে সমস্যা হয়। রেল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, যাত্রীদের এই অভিযোগগুলির কথা মাথায় রেখেইহকারদের সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে স্টেশন চত্বর থেকে।

    শনিবাররাতে হাওড়া স্টেশনের বাইরে ভিড় খানিক পাতলা হওয়ার পরেই পৌঁছে যায় বিরাট পুলিশবাহিনী। আরপিএফ এবং রেল পুলিশের আধিকারিকেরাও ছিলেন। বুলডোজ়ার দিয়ে একের পর একদোকান ভেঙে দেওয়া হয়। কোথাও কোথাও হকারদের সঙ্গে পুলিশের বচসাও হয়েছে। পুলিশেরতরফে সকলকে ফুটপাথ থেকে সরে যেতে বলা হয়েছিল। স্টেশন সংলগ্ন ফুটপাথের ব্যবসায়ীদেরবক্তব্য, শনিবারই জায়গা ছেড়ে উঠে যাওয়ার কথা বলে রেল থেকে তাঁদের নোটিস ধরানোহয়েছিল। তার পর রাতেই বুলডোজ়ার দিয়ে সব ভেঙে দেওয়া হয়েছে। উঠে যাওয়ার জন্য পর্যাপ্তসময় দেওয়া হয়নি বলেও কেউ কেউ দাবি করেছেন।

    হাওড়া স্টেশনে হকার উচ্ছেদ অভিযান অবশ্য এই প্রথম নয়। এর আগেও নোটিস জারি করে এলাকা ফাঁকা করেছে রেল। স্টেশন চত্বর থেকে হকারদের তুলে দেওয়ার ফলে যাত্রীদের একাংশ খুশি। তাঁদের মতে, এরফলে স্টেশনে হকারদের দৌরাত্ম্য কিছুটা কমবে। স্টেশন চত্বর আরও প্রশস্ত হবে। ফলেব্যস্ত সময়ে চলাফেরায় সমস্যা হবে না।
  • Link to this news (আনন্দবাজার)