প্রশ্নটা শুরু হয়েছিল নলেন গুড় রসগোল্লা আর মিষ্টি দই নিয়ে। এই দু’টির স্বাদ কী ভাবে কোনও অবাঙালিকে বোঝানো যাবে? এই প্রশ্ন তুলেছিলেন এক বাঙালি মহিলা। X হ্যান্ডলে তাঁর সেই পোস্ট ট্যাগ করে এক X ব্যবহারকারী লিখেছিলেন রসগোল্লা নাকি খুবই ওভার Overrated-- সেটা নাকি ইডলিকে চিনির রসে ডুবিয়ে রাখার মতোই বিষয়।
তারপরে সেই পোস্ট নজরে পড়ে আরও এক ইউজ়ারের। তিনি সেখানে মজা করে লেখেন, ‘যদি ড. শশী থারুর এই বক্তব্য দেখতে পান, তাহলে ভাষাগত অ্যাসাসিনেশনের জন্য তৈরি থাকুন।’ তিনি সেই পোস্টে শশী থারুরকে ট্যাগ করেননি। কিন্তু সেই পোস্ট নজরে পড়ে কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুরের। তারপরেই বিষয়টি নিয়ে নাতিদীর্ঘ বক্তব্য রেখেছেন শশী থারুর।
সেখানে রসগোল্লা এবং ইডলির প্রক্রিয়া নিয়েও বিস্তারিত ব্যাখা দিয়েছেন। তাঁর মতে, রসগোল্লা আর ইডলির সঙ্গে তুলনা কোনওমতেই চলে না। রসগোল্লা ছানার তৈরি, ইডলি তৈরি চাল আর ডাল মিশিয়ে। দু’টোর উৎস একেবারে আলাদা।
এখানেই শেষ নয়, রসগোল্লা এবং ইডলি তৈরির প্রক্রিয়ারও বিশদ ব্যাখা করেছেন শশী থারুর। দু’টি যে পুষ্টিগত ভাবেও একেবারে আলাদা ঘরানার সেটাও ব্যাখা করেছেন তিনি। ইডলিকে চিনির রসে ডোবানোর পরামর্শে বেশ আপত্তি করেছেন শশী থারুর। ইডলি তৈরির প্রক্রিয়া আদতে বায়োটেকনোলজির মাস্টারক্লাস বলে তাঁর মত। পেটের জন্য এবং পুষ্টিগুণের জন্য ইডলির কোনও তুলনা নেই বলে মত তিরুঅনন্তপুরমের কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুরের।
রসগোল্লা নিয়ে সংশয় থাকলে, তার স্পঞ্জিনেস এবং মিষ্টত্ব নিয়ে আলোচনা করা যায়। কিন্তু ইডলিতে ডেজ়ার্ট টেবিলের বাইরে রাখার অনুরোধ করেছেন তিনি।