ভেঙে ফেলা হবে যুবভারতীর ক্রীড়াঙ্গনের সামনের বিশালাকার মূর্তি। ২০১৭ সালে সল্ট লেকে যুবভারতী স্টেমিয়াম ঢেলে সাজানো হয়েছিল। সেই সময়েই যুবভারতীর ভাইরে ‘অদ্ভুত’ মূর্তি তৈরি হয়েছিল। যে মূর্তির পা থেকে কোমর পর্যন্ত আছে। তার উপরে বসানো আছে বিশ্ববাংলা লোগো। পায়ের বলে লেখা ‘জয়ী’। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে এই মূর্তির নকশা তৈরি করেছিলেন। ‘অনর্থক’ এই মূর্তি তৈরির পর থেকেই শুরু হয়েছিল বিতর্ক। রবিবার ডার্বির শেষে স্টেডিয়াম ছাড়ার মুখে ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ জানান, ‘বাংলার খেলার ময়দানকে নেপোটিজম মুক্ত করা হবে।’
রাজ্যে নতুন সরকারের আমলে বর্তমান ক্রীড়া মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। রবিবার তিনি যুবভারতী স্টেডিয়ামে গিয়েছিলেন আইএসএলে ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান ডার্বি দেখতে । ম্যাচ শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নিশীথ বলেন, “খেলাধূলার বিষয়ে কোনও রাজনীতি বরদাস্ত করা হবে না। খেলার ময়দান রাজনীতি মুক্ত হবে। খেলোয়াড়রা রাজনীতি মুক্ত হবে। একই সঙ্গে খেলার সঙ্গে যুক্ত যে ফেডারেশনগুলো আছে তাদের নেপোটিজম, পরিবারবাদ মুক্ত হতে হবে। এটাই আমাদের মূল লক্ষ্য।” এদিন তিনি জানিয়ে দেন, এই মূর্তি সরিয়ে দেওয়া হবে।
নিশীথের বক্তব্য, “এরকম অদ্ভূত বিদঘুটে একটা মূর্তি, একটা কাটা পা তার ওপর ফুটবল । আমার তো মনে হয় এই মূর্তি লাগানোর পর থেকেই আগের সরকারের খারাপ দিন আসা শুরু হয়ে গিয়েছে । তারপর মেসি কাণ্ড হল, সরকার চলে গেল।” নিশীথ বলেছেন, “আমরা এমন একটা মূর্তি যার কোনও অর্থ নেই, আমরা সেটা পরিবর্তন করব। এর বদলে বিখ্যাত কোনও ফুটবলারের মূর্তি বসানো হবে।” এদিন মেসিকাণ্ডের কথাও উল্লেখ করেন ক্রীড়ামন্ত্রী। তিনি বলেন, “আমরা এজেন্সিদেরও বলে দিয়েছি, যে সব সাধারণ দর্শকরা অর্থ দিয়ে টিকিট কেটেও মেসিকে দেখতে পারেনি। তাদের অর্থ ফেরত দিতে বলেছি। যদি তাদের অর্থ ফেরত না দেওয়া হয় তাহলে আমরা কঠোর পদক্ষেপ করব।”