তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় থেকে শতাধিক আধার কার্ড এবংএকাধিক নথি উদ্ধার হওয়ার ঘটনা ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল বিধাননগর পুরসভার ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসন্তী দেবী কলোনিতে। রবিবার ওই কার্যালয় খোলার পরে বিষয়টি নজরে আসে। খবর পেয়ে ওই আধার কার্ড এবং নথিপত্র বাজেয়াপ্ত করে নিয়ে যায় বিধাননগর দক্ষিণ থানার পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া নথির মধ্যে জমি সংক্রান্তকাগজও রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, আগে ভোট লুটের নামে ভোটার কার্ড, আধার কার্ড নিয়ে নেওয়া হয়েছিল। অনেকে আবেদন করেও আধার কার্ড পাননি। সেগুলি ডাকঘরের প্রতিনিধির তরফে আবেদনকারীর বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল। অথচ, তার বদলে ওই আধার কার্ড যেত তৃণমূলের কার্যালয়ে। একই সুর শোনা গিয়েছে বিজেপি কর্মীদের একাংশের গলাতেও। তাঁদের অভিযোগ, তৃণমূলের আমলে এ নিয়ে কিছু বলার সুযোগ ছিল না।
বিধাননগরের বিধায়ক শারদ্বত মুখোপাধ্যায় জানান, এ দিনের ঘটনায় তাঁরা আদৌ বিস্মিত নন। নির্বাচনের প্রচারের সময়ে তাঁরা এমন একাধিক অভিযোগ পেয়েছেন। তৃণমূল আমলে প্রতিবাদ করলে প্রতিবাদীদের জমির কাগজ আটকে রাখা হত। অভিযুক্তদের উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
প্রত্যাশিত ভাবেই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূল কর্মীদের একাংশ। তাঁদের বক্তব্য, ভোটের ফল বেরোনোর পর থেকে হিংসার মুখে নেতৃত্বের একাংশ এলাকা ছাড়া। তাঁদের ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। পুলিশ সূত্রের খবর, উদ্ধার হওয়া আধার কার্ড এবং নথিপত্রগুলি কাদের, কী ভাবে সেগুলি তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে এল— সে সবই তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।